বিংশ শতাব্দীতে জন্ম আমার একবিংশ শতাব্দীতে পথচলা,
দুই শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে-ফেলেছি পায়ের ধুলা।
আমি দেখেছি পৃথিবীর বিচিত্র রং, ইতিহাসের উত্থান,
কতো কর্তৃত্ববাদী শাসকের লাশ হয়েছে দাফন গোরস্থান।
কতো তন্ত্র-কতো মন্ত্র মানুষ গড়েছে যুগে যুগে,
সেই তন্ত্র-মন্ত্রের যাঁতাকল-যন্ত্রে মানুষ মরেছে ভুগে।
আকারে মানব-চেতনায় দানব কিছু শিক্ষিত শয়তান,
পৃথিবীর ক্ষমতা করেছে কবজা রুধিছে গরিবের উত্থান।
শাসকের কালো হাতে-লেগে আছে রাঙ্গা রক্তের দাগ,
শোষণের কালো থাবা-গরিবের রুজি করেছে ভাগ।
শোষক আর শোষিতের মাঝে আছে অদৃশ্য কাঁচের দেয়াল,
মরিচিকা দেয় ধোঁকা বোকারা কখনো করেনা খেয়াল।
পুঁজিপতি জমিয়েছে শত কোটি লুটে গরিবের পুঁজি,
পেটে লাথি মেরে ধনীরা খায় গরিবের রুজি।
ধনীরা হয়েছে ধনী গড়েছে সম্পদ- বিত্তের পাহাড়,
ধনীর চিত্ত দোলাতে গরিব- সে পাহাড়ে খেয়েছে আছাড়।
সেজে রাজা-করেছো প্রজা মাথায় বয়েছি প্রভূর জুতো,
সুদে-মুলে হবে শোধ টের পাবে শোষণের গুঁতো।
কবিরা জাগো-কবিতা দাগো ভাঙ্গো শোষকের বিষ-দাঁত,
নেই ভয়-হবে সূর্যোদয় অবসান হবে শোষণের কালো রাত।
কবি ও কবিতা নেবে আগামী পৃথিবীর শাসনভার ,
সাম্য শান্তি ঐক্য-মৈত্রী ন্যায়- লক্ষ্য হোক কবিতার।